পিএইচপি, এএইচ অ্যান্ড ফিশারিজ

দাফি

(পরজীবিনাশক)

পরিচিতি

দাফি একটি পরজীবিনাশক, যা মাছ ও চিংড়ির যাবতীয় অন্তঃপরজীবি (ফিতাকৃমি, গোলকৃমি ইত্যাদি) ও বহিঃপরজীবি (উকুন, লারনিয়া ইত্যাদি) প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরি সমাধান।

মাছ ও চিংড়িতে পরজীবির আক্রমণ মাছচাষে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। অন্তঃপরজীবি কারণে রক্তস্বল্পতা ও পুষ্টিহীনতা দেখা দেয়। অপরদিকে বহিঃপরজীবি সংক্রমণের ফলে মাছ ও চিংড়ির শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ঐসব ক্ষতস্থানে সহজেই রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদির সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়। ফলে মাছ ও চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি কমে যাওয়ার পাশাপাশি মোট উৎপাদন ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।

উপাদান

প্রতি মিলি দাফি -তে আইভারমেক্টিন ৩% সক্রিয় উপাদান বিদ্যমান।

প্রয়োগক্ষেত্র

মাছ ও চিংড়ির যাবতীয় অন্তঃপরজীবি ও বহিঃপরজীবি দমনে ব্যবহার করুন।

কার্যকারিতা

  • দাফি উকুন, হুক কৃমিসহ বিভিন্ন বহিঃপরজীবি দমন করে।
  • মাছ ও চিংড়ির অন্ত্রে বসবাসকারী অন্ত্রে বসবাসকারী ফিতা কৃমি, গোল কৃমিসহ সকল অন্তঃপরজীবি দূর করে।
  • জলাশয়ে মাছ ও চিংড়ির জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন জুপ্লাঙ্কটন দূর করে।
  • দাফি মাছের শরীরের অতিরিক্ত পিচ্ছিল পদার্থ দূর করে, ফলে মাছ উজ্জ্বল ও চকচকে হয়।

ব্যবহারবিধি

  • প্রতি ৩৩ শতাংশ জলাশয়ে ৩-৫ ফুট পানির জন্যঃ
    • প্রতিরোধেঃ ৩৩ মিলি দাফি
    • প্রতিকারেঃ ৫০ মিলি দাফি 
  • অধিক কার্যকারিতার জন্য প্রথমবার ব্যবহারের ৭-১০ দিন পর পুনরায় ব্যবহার করুন।
  • প্রয়োজনে মৎস্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

নির্দেশনা

  • শুষ্ক ও ঠান্ডা জায়গায় সূর্যালোক থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন।
  • শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
  • দাফি ব্যবহারের সময় ধূমপান ও পানাহার থেকে বিরত থাকুন। ব্যবহারের পর হাত-পা, চোখ-মুখ ও জামা-কাপড় ভালভাবে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

লাইসেন্স নং

ময়মন/মৎস্য খাদ্য/ক্যাটাগরি-২/৫৬/২০২৩

যোগাযোগ করুন